এ ডব্লিউ এস স্টার্টআপ ডে বাংলাদেশ অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো “অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস স্টার্টআপ ডে বাংলাদেশ ২০২৩। বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এ প্রেগ্রামে হাতে—কলমে শিখিয়ে দেয়া হলো আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কিভাবে একটি স্টার্টআপ ডিজাইন থেকে শুরু করে বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি’তে রুপান্তর করা যায়।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ), নলেজভেলি এবং বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল যৌথভাবে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (এডব্লিউএস) এর সহযোগিতায় বাংলাদেশে এই প্রথম এই ধরনের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের স্ট্র্যাটিজিক পার্টনার আইডিয়া ডিজাইন এন্ট্রাপ্রিনিউরশীপ একাডেমি ও এসপায়ার টু ইনোভেট (এ টু আই), গ্লোবাল এন্ট্রাপেনিউরশীপ নেটওয়ার্ক, এক্স এল বি সি লেভেল কনসালল্টিং, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, বাংলাদেশ ইনোভেশান ফোরাম।
দিনব্যাপী এই ইভেন্টের উদ্বোধন করেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) প্রতিষ্ঠাতা ও ড্যাফোডিল পরিবারের চেয়ারম্যান ড. মোঃ সবুর খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস এর লিডার, সলিউশন আর্কিটেকচার, স্টার্টআপস মোহাম্মদ মাহদী—উজ জামান, এবং প্রথম আলোর ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন এর প্রধান সমন্বয়কারী মুনীর হাসান, এক্সএলবি—সি লেভেল কনসাল্টিং এর প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা ফকির আহমেদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।
উদ্বোধনকালে ড. মোঃ সবুর খান বলেন, বিশ্ব মানের একটি ইউনিকর্ন ডেভেলাপকরার জন্য বা একটি মিলিয়ন বা বিলিয়ন ডলার কোম্পানী প্রতিষ্ঠার জন্য যে প্রসেস ফ্লো মেইনটেইন করতে হয় তা না করায় বা সঠিক আর্কিটেক্ট, ডাটা বেইজ ব্যবহার ও সিকিউরিটি কম্পস্নায়েন্স ব্যবহার না করার ফলে আমাদের ইয়াং স্টাররা একসময় মুখ থুবরে পড়ে যায়। সে অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটাতেই আমাদের এ উদ্যোগ। কারণ একটি ব্যবসাকে টেকসই করতে হলে প্রতিনিয়ত ইনোভেশন ট্র্যাকটা পরিবর্তন করতে হয় যা আমাদের উদ্যোক্তাদের অনেকেই জানেন না। এজন্য আমরা নতুন স্টার্টআপদের প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন এক্সপার্টদের এনে হাতে—কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। বাংলাদেশ এর আগে এ ধরনের হ্যান্ডস অন ট্রেনিং এর ব্যবস্থা হয়নি। এতে আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস সরাসরি সহায়তা করছে। এখানে ১৫০ জন স্টার্টআপরা হাতে— কলমে শিখবে এবং এর মধ্য থেকে কমপক্ষে ৩০ জন প্রত্যেকে ১০ হাজার ডলার করে অডঝ এর ক্রেডিট সুবিধা পাবে।
দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের হ্যান্ডস—অন ওয়ার্কশপ, পরবর্তী প্রজন্মের ইউনিকর্ন স্টার্টআপ তৈরির বিষয়ে অন্তর্দৃষ্টি এবং অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস ( এডব্লিউএস) থেকে আগত আন্তর্জাতিক ও স্থানীয়ভাবে স্বীকৃত পেশাদার/প্রশিক্ষকদের দ্বারা পরিচালিত বিভিন্ন সেশনের মাধ্যমে অডঝ ক্যারিয়ার প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানার সুযোগ প্রদান, ইন্ডাস্টি্র এক্সপার্টদের সাথে নেটওয়ার্কিং এর সুযোগ তৈরি করা হয়।
এই ইভেন্টে সবচেয়ে আকর্ষনীয় দিক ছিলো দেশি, বিদেশি এবং অডঝ থেকে আগত ১০ জন এর অধিক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্পীকার এবং প্রশিক্ষক যারা হ্যান্ডস ওন ওয়ার্কশপ গুলো পরিচালনা করেন।
এছাড়াও, প্রতিটা ঐধহফং ড়হ ডড়ৎশংযড়ঢ় এর ওপর ভিত্তি করে সকল অংশগ্রহনকারী একটি করে প্রেজেন্টেশন প্রেজেন্ট করেন এবং যেখান থেকে বিচারকদের রায়ের ওপর ভিত্তি করে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়। তাছাড়া ভবিষ্যতে এখান থেকে সফল হওয়া স্টার্টআপদের প্রকল্পগুলিতে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল।







